বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) ‘কথা’ নামের নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি এসব কথা বলেন।

মাসুদ কামাল বলেন, এ গ্রেপ্তারের বিষয়টা নিয়ে পুলিশ এবং এই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকর্মী দীপঙ্করকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পরও পুলিশ মামলায় নেয়নি। এই নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি-মারামারি। পুলিশ বলছে, আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা থানার মধ্যে ভাঙচুর করেছে।

ওরা বলেছে উল্টা কথা। সব মিলে দুপক্ষের প্রায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
এখন যেহেতু পুলিশ কিছু লাঠি চার্জ করেছে এবং লাঠি চার্জ করার ফলে কয়েকজন আহত হয়েছে- পরের দিন তারা পটিয়া ব্লকেড করে দিল। এই ছাত্ররা পটিয়া ব্লকেড করে দিল।

রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিল এবং শেষ পর্যন্ত পরের দিন বুধবার রাতে পটিয়া থানার ওসিকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো। ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূরকে আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূরকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হলো।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, আপনারা কে ভাই? আপনারা কে সিদ্ধান্ত দেওয়ার? আপনারা কি আইন? আপনারা কি এমন কিছু করেছেন যে আপনাদের কথা অনুযায়ী সবাইকে চলতে হবে। আপনারা এমন একজন লোককে ধরে নিয়ে আসছেন, তার অপরাধটা কি? সে ছাত্রলীগকর্মী ছিল। এদেশে অনেক লোক ছাত্রলীগকর্মী ছিল।

যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকে, তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে কেন? এত লোক অ্যারেস্ট করে আপনি জেলখানায় জায়গায় দিতে পারবেন? একটা সিস্টেম তো থাকবে। হ্যাঁ, ছাত্রলীগকে সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। অতএব ছাত্রলীগের কোনো ধরনের কর্মকাণ্ড চলতে পারবে না। এটা নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নাই।

এখন একদা কেউ একজন ছাত্রলীগ করতো, তার নামে কোনো মামলা নাই, মোকদ্দমা নাই, তাকে অ্যারেস্ট করতে হবে? তাকে ধরে আপনি চর- থাপ্পড় মারতে পারেন? মেরে তাকে থানায় এনে বলতে পারে যে অ্যারেস্ট করো এখনি? এটা কি আপনার মানে দায়িত্বের মধ্যে পড়ে? এবং এই জিনিসটা কিন্তু অহরহ ঘটছে।